Header Ads Widget

High Alert
Breaking News
LIVE
ঈদযাত্রা: ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু • ওমান উপকূলে তেল ট্যাংকারে হামলায় ১ নিহত • আজ ঢাকায় আসছেন পল কাপুর • চট্টগ্রামে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার সেই শিশুর মৃত্যু • সৌদিতে প্রবাসীদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি • ইরানকে সমর্থন জানাল চীন • সৌদিতে মার্কিন দূতাবাসে ইরানের ভয়াবহ হামলা • আজ ‘ব্লাড মুন’—পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ • কাতারে স্থগিত সব ফুটবল • স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজ প্রি-অর্ডার শুরু • এশিয়ান কাপ ফুটবলে আজ চীনের মুখোমুখি বাংলাদেশ •

মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ





আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি। ১৯৭১ সালে সংঘটিত মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। 

জেনারেল ওসমানীর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও ওসমানী ফাউন্ডেশন সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ওসমানীর কবর জিয়ারত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। 

১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এমএজি ওসমানী। তার বাবার নাম খান বাহাদুর মফিজুর রহমান, মাতা জোবেদা খাতুন। তার পিতৃপুরুষের বাড়ি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার বর্তমানে ওসমানীনগর থানা দয়ামীরে। খান বাহাদুর মফিজুর রহমানের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছেলে ওসমানী।

১৯৩৯ সালে ওসমানী রয়েল আর্মড ফোর্স ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন। বাঙালিদের মধ্যে ব্রিটিশ আর্মির সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। ব্রিটিশদের বিদায়ের পর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পাক সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন ওসমানী। তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন তিনি। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল ওসমানী। পরবর্তীতে বাকশাল গঠনের প্রতিবাদে ১৯৭৫ সালে সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। নিজে জনতা পার্টি নামে আলাদা রাজনৈতিক দল গঠন করেন তিনি। ১৯৭৯ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ওসমানী। 

তাঁর সুবিশাল কর্মময়জীবন ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রয়েছে ‘ওসমানী উদ্যান’ ‘ওসমানী মেমোরিয়াল হল’, সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতাল, ‘ওসমানী জাদুঘর এবং ওসমানী বিমানবন্দর। মাত্র ৬৬ বছর বয়সে, ১৯৮৪ সালের আজকের দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এমহান বীরপুরুষ চিকিৎসাধীন অবস্থায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। 

ব্যক্তি জীবনে চিরকুমার ছিলেন জেনারেল ওসমানী। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মৃত্যুর পর তাকে হযরত শাহজালাল (র.) এর দরগায় মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।


Post a Comment

0 Comments