মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানে জাতিগত নিধনে পরিণত হতে যাচ্ছে। রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি আশেপাশের শহরে এবং সারাদেশের সর্বাত্মক ব্যাপক হামলা শুরু করছে আগ্রাসী গোষ্ঠী। এতে সামরিক স্থাপনা এবং দেশের সমরাস্ত্র ভান্ডারসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে বেসামরিক নাগরিক ও শিল্প কারখানা।
এদিকে, ইরানের প্রতিবেশী দেশসমূহ যারা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ তাদের প্রতিও সর্বাত্মক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
জাতিসংঘকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির মুখপাত্র জানান, যেহেতু ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা সহ ইরানের সামরিক ক্ষেত্রসহ দেশজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। যুদ্ধ প্রতিবেশী দেশেও ছড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল। ইরানের পক্ষে কোন প্রকার আলোচনায় বসা সম্ভব নয়।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।
দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, 'ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না'।
দেশটির অন্যতম ক্ষমতাধর এই ব্যক্তি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেইসব প্রতিবেদনের জবাবে এ মন্তব্য করেন, যেখানে বলা হয়েছিল যে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করার অনুরোধ জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'তার ‘মিথ্যা আশ্বাস' দিয়ে অঞ্চলটিকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন এবং এখন মার্কিন সেনাদের আরও হতাহতের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন,' বলেন লারিজানি।
তিনি আরও বলেন, 'ভ্রান্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি নিজের তৈরি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানকে 'ইসরায়েল ফার্স্ট' স্লোগানে রূপান্তর করেছেন এবং ইসরায়েলের ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষার জন্য মার্কিন সেনাদের বলি দিচ্ছেন।'
প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন লারিজানি। তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী 'আগ্রাসন শুরু করেনি'।

0 Comments