এদিকে, জুলাই সনদে আইনসভা বা সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা এবং উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে গঠন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) ১১–দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ঐকমত্য কমিশনে সংসদের উচ্চকক্ষ পিআর পদ্ধতি নিয়ে বিএনপি ‘নোট অব ডিসেন্ট (দ্বিমত)’ দিয়েছিল। আবার গণভোটে যাতে ‘না’ জয়যুক্ত হয়, সে জন্য দলটি বিভিন্নভাবে ক্যাম্পেইন করেছে। কিন্তু যেহেতু ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে, এখন দলটি উচ্চকক্ষ গঠনে জুলাই জাতীয় সনদ অনুসরণ না–ও করতে পারে।
গণভোটে হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরে সব ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাতিল হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারেই সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, সরাসরি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে এই নিম্নকক্ষ বা ‘জাতীয় সংসদ’। এটিই হবে রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি।
নিয়ম অনুযায়ী, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট ব্যবস্থায় আইন প্রণয়ন প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হবে। সংবিধান সংশোধন করতে হলে নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট বাধ্যতামূলক। তবে, অর্থবিলের ক্ষেত্রে নিম্নকক্ষই সর্বেসর্বা। এছাড়া অন্য যেকোনো বিল পাশের ক্ষেত্রে উভয় কক্ষের সমন্বয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

0 Comments